সমস্যার গভীরে দৃকপাত করলে দেখতে পাই, এক নয়া ব্যাধীতে আক্রান্ত হয়েছেন
আমাদের বুড়ো সমাজ। সব ধরনের বুড়ো নয়, বিশেষত যারা পেশায় রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবী। এই
দুই বৃদ্ধ সম্প্রদায়ের সাম্প্রতিক বাচালতা থেকে উপলব্দি করা যায়, তারা ‘ইনফরমেশন গ্যাপ’ ও ‘থিংকিং গ্যাপ’ নামের নতুন রোগে ভুগছেন।
একটা সময় ছিল যখন তরুণ ও প্রবীণদের চাওয়া-পাওয়াকেন্দ্রীক দূরত্বকে বলা
হতো ‘জেনারেশন
গ্যাপ’। অর্থাৎ
প্রবীণদের চিন্তা ভাবনা ও ধ্যান ধারনার সঙ্গে তরুণদের চিন্তা ভাবনা ও ধ্যান ধারনা মিলত
না। এক ধরনের অসামঞ্জস্যতা কিংবা পার্থক্য দেখা যেত। এই পার্থক্যকে বলা হয় জেনারেশন
গ্যাপ।
তখন জেনারেশন গ্যাপ সবচেয়ে বেশি প্রকট ছিল পরিবারে ও সমাজে। মা বাবা
সন্তানদের চাওয়া-পাওয়া কিংবা পছন্দ অপছন্দকে গুরুত্ব দিতেন না। সমাজের মুরুব্বীরা শুনতেন
না তরুণ ছেলেমেয়েদের কথা। আশি ও নব্বুই দশকের সিংহভাগ চলচ্চিত্রে রয়েছে এই জেনারেশন
গ্যাপের নজির। দেখা যায় নায়িকার বাবা কিছুতেই মেনে নেবেন না মেয়ের প্রেম, কিংবা নায়কের
বাবা কিছুতেই মানবেন না ছেলের পছন্দের মেয়েকে। সমাজের এই চিত্র এখন অনেকটাই বদলে গেছে।
নব্বুই পরবর্তী বাংলাদেশের সমাজকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এখন নবীন প্রবীণের মধ্যে
জেনারেশন গ্যাপ অনেক কম। মা বাবারা এখন বিয়ের আগে ছেলে মেয়েদের মতামত নেন। তাদের পছন্দ
অপছন্দকে গুরুত্ব দেন। তাদের পছন্দসই পেশা বেছে নেবার সুযোগ দেন। এখন গ্রামের অনেক
মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত ঘরের ছেলেমেয়েরাও নিজের পছন্দের বিষয়ে পড়তে পারছে। শহরের চিত্র
আরও অন্যরকম। শহুরে মা বাবারা ছোটবেলা থেকেই বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ ও আচরণের মাধ্যমে
ছেলেমেয়েকে বড় করে তুলছেন। ফলে মা বাবার সঙ্গে ছেলেমেয়েদের জেনারেশন গ্যাপ থাকছে না।
চিন্তার দূরত্ব থাকছে না। ছেলে মেয়েরা এখন কী চিন্তা করে, তাদের চাওয়া কী, পছন্দ কী,
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী ইত্যাদি সবকিছুই মা বাবা কমবেশি জানেন।
![]() |
| উপরন্তু আক্রান্ত হয়েছেন ইনফরমেশন গ্যাপ ও থিংকিং গ্যাপ নামের নতুন রোগে। ছবি: সংগৃহীত |
বলা বাহুল্য, আমাদের আগের প্রজন্মের মা বাবারা জেনারেশন গ্যাপের দূরত্ব ঘুঁচিয়েছেন। তবে আমাদের মা বাবারা জেনারেশন গ্যাপ বিষয়ে নিজেদের উন্নয়ন ঘটাতে পারলেও, পারেননি আমাদের রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবীরা। তারা জেনারেশন গ্যাপে আক্রান্ত তো আছেনই, উপরন্তু আক্রান্ত হয়েছেন ইনফরমেশন গ্যাপ ও থিংকিং গ্যাপ নামের নতুন রোগে।
এ রোগ সম্পর্কে সম্যক ধারনা পেতে আমাদের রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবীদের সাম্প্রতিক
কথাবার্তায় কান পাতাই যথেষ্ট। আমাদের প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘৩৩তম বিসিএসে মেধার ভিত্তিতে ৭৭.৪০
শতাংশ নিয়োগ পেয়েছে। ৩৫তমতে ৬৭.৪৯, ৩৬তমতে ৭০.৩৮ ভাগ।’ প্রধানমন্ত্রী হয়তো জানেন না,
আমাদের তরুণ প্রজন্ম এইসব তথ্যের পাশাপাশি আরও অধিক তথ্য জেনে বসে আছে। তারা জানে,
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে বর্তমানে শূন্য পদের সংখ্যা ৩ লাখ ৫৯ হাজার ২৬১টি। যদি
মেধার ভিত্তিতে সব নিয়োগ হয়ে থাকে তাহলে এত পদ শূন্য থাকে কী করে? প্রধানমন্ত্রী আরও
বলেছেন, ‘কোটায় প্রার্থী না পাওয়া গেলে মেধা তালিকা থেকে পূরণ করা হচ্ছে।’ কিন্তু কী উপায়ে পূরণ করা হচ্ছে
সে কথা প্রধানমন্ত্রী বলেননি। না বললেও ক্ষতি নেই, অবাধ তথ্য প্রবাহের এই যুগে সব তথ্যই
তরুণদের জানা। গত ৫ এপ্রিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি হওয়া পরিপত্র এখন তরুণদের
মুখস্ত। সেখানে বলা হয়েছে: ‘প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বিষয়ে সরকারের
২০১০ সালের ৫ মে জারি করা ১৫০নং পরিপত্র অনুসরণপূর্বক বিশেষ কোটার অধীন কোনো জেলার
বিতরণকৃত পদের সংখ্যা থেকে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা কম হলে ওই বিশেষ কোটার অপূর্ণ পদগুলো
জাতীয়ভিত্তিক স্ব স্ব বিশেষ কোটার (মুক্তিযোদ্ধা, মহিলা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী) জন্য প্রণীত
জাতীয় মেধা তালিকা থেকে পূরণ করা হবে। ওই সিদ্ধান্ত অনুসরণের পর সংশ্লিষ্ট নিয়োগের
জন্য মহিলা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটার কোনো কৃতকার্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে ওই পদগুলো
অবশিষ্ট কোটা অর্থাৎ জেলার সাধারণ প্রার্থীদের থেকে পূরণ করা হবে। উপরোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ
করার পরও কোনো বিশেষ কোটার বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধা, মহিলা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী পদ পূরণ
করা সম্ভব না হলে অপূরণকৃত পদ জাতীয় মেধা তালিকার শীর্ষে অবস্থানকারী প্রার্থীদের মধ্য
থেকে পূরণ করা হবে।’
অর্থাৎ সহজ ভাষায় এর অর্থ দাঁড়ায়: এক কোটা থেকে পাওয়া না গেলে আরেক কোটা,
সেখানে পাওয়া না গেলে আরেক কোটা, এভাবে সব কোটায় সাঁড়াশি অভিযান চালানোর পরও যদি কোটাধারী
না পাওয়া যায়, কেবল তখনই মেধা তালিকা থেকে শূন্য পদ পূরণ করা হবে!
আমাদের তরুণরা যে এইসব ‘খবরের ভেতরের খবর’ আগে থেকেই জেনে বসে আছেন তা হয়তো প্রধানমন্ত্রী জানেন না; তাই বক্তব্য
বিবৃতিতে আংশিক তথ্য উপস্থাপন করেন এবং মনে করেন তিনি যতটুকু তথ্য জানাবেন ততটুকু তথ্য
জেনেই মানুষ পরিতৃপ্ত থাকবে। আমাদের কর্তাদের এই যে জানার দূরত্ব, চিন্তার দূরত্ব—এর নামই ইনফরমেশন গ্যাপ এবং থিংকিং
গ্যাপ।
এই নতুন ধরনের গ্যাপ বা দূরত্ব এখন প্রায় সব রাজনৈতিক নেতা, বুদ্ধিজীবী
ও টকশোজীবীদের মধ্যে প্রকটভাবে লক্ষ করা যাচ্ছে। তারা বিভিন্ন জনসভায়, সমাবেশে, সাক্ষাৎকারে,
টক শোতে কিংবা পত্রিকার প্রবন্ধ-নিবন্ধে নির্বিকার ভঙ্গিতে আংশিক তথ্য উপস্থাপন করছেন
এবং মনে মনে ভাবছেন তারাই সবকিছু জানেন, সবকিছু বোঝেন; সুতরাং তারা জনগণকে যা জানাবেন,
যা বোঝাবেন, জনগণ তাই জানবে, তাই বুঝবে।
এই রোগাক্রান্তদের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের আরও কিছু উদাহরণ দেয়া যাক।
দিন কয়েক আগে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী সংসদে আগুনঝরা কণ্ঠে বললেন, ‘সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা
রাখা হয়েছে প্রান্তবর্তী মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে মূল ধারায় আনার জন্য। তারা যাতে উন্নত
ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারেন সেজন্যই এই কোটা ব্যবস্থা।’ এই তথ্য আমাদের তরুণ প্রজন্ম জানে।
পাশাপাশি তারা আরও জানে, বিগত পাঁচ বছরে মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়েছেন সরকারি-বেসরকারি
কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পেশার মোট ১১ হাজার ১৫০ জন। এই তালিকায় সচিব থেকে শুরু করে চিকিৎসক,
শিক্ষক, প্রকৌশলী ও ব্যাংকারও রয়েছেন। সুতরাং মুক্তিযোদ্ধা কোটা কার স্বার্থে বহাল
রাখতে রাষ্ট্রযন্ত্র মরিয়া তা বুঝতে বাকি নেই তরুণ প্রজন্মের।
এই প্রজন্ম মুদ্রার অপর পিঠের তথ্যও জানে। ততোধিকবার মুক্তিযোদ্ধার তালিকা
সংশোধন করা হলেও শত শত প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা এখনও মুক্তিযোদ্ধার সনদ পাননি। তারা কেউ
রিকশা চালিয়ে, দিনমজুরি করে কিংবা ভিক্ষা করে জীবনযাপন করছেন। এই অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের
সঙ্গে আজকের তরুণদের প্রায়ই দেখা হয়ে যায় পথে ঘাটে, বিভিন্ন স্থানে। এই তরুণদের সামনে
যখন চলে আসে এই তথ্য ‘স্ত্রীর ভিক্ষায় চলে মুক্তিযোদ্ধা নূরের সংসার’ তখন তারা কীভাবে বিশ্বাস করবে
মতিয়া চৌধুরীর সংসদে দেয়া তথ্যকে? সুতরাং আংশিক তথ্য দিয়ে যে একালের তথ্যসমৃদ্ধ তরুণদেরকে
আর খুশি রাখা যাবে না—সেটা আমাদের প্রবীণ রাজনীতিকরা বুঝতে চাচ্ছেন না। এই বুঝতে না চাওয়াটাই
থিংকিং গ্যাপ।
থিংকিং গ্যাপের সর্বশেষ উদাহরণ আমাদের অতিপ্রিয় লেখক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ
জাফর ইকবাল। মুহম্মদ জাফর ইকবাল তাঁর সর্বশেষ সাদাসিধে কথায় লিখেছেন, সরকারি চাকরিতে
৫৬ শতাংশ কোটা রয়েছে তা তিনি জানতেন না। কোটার জটিলতা সম্প্রতি তাঁর এক তরুণ সহকর্মী
তাঁকে বুঝানোর পর তিনি বুঝেছেন। এই জনপ্রিয় শিশু সাহিত্যিক জানেন না, তাঁর লেখা বই
পড়ে যারা বড় হয়েছেন, সেই তরুণ প্রজন্ম এখন তাঁর সম্পর্কে এখন অনেক বেশি তথ্য জেনে বসে
আছে। এই তরুণরা জানে, ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির একজন অন্যতম সদস্য
ছিলেন মুহম্মদ জাফর ইকবাল। সুতরাং তাদের সামনে নিষ্পাপ ভঙ্গিতে ‘আমি কোটা সম্পর্কে জানতাম না’ বলা আর নিজেকে ভাঁড় প্রমাণ করা
একই কথা।
ওই একই কলামে মুহম্মদ জাফর ইকবাল আরও লিখেছেন, ‘তাদের এই কর্মকাণ্ডে (কোটা সংস্কার
আন্দোলন) যে শিশুটি স্কুলে যেতে পারেনি, যে রোগীটি হাসপাতালে যেতে পারেনি, গার্মেন্টসের
যে মেয়েটি কাজে যেতে পারেনি, যে রিকশাওয়ালা তার পরিবারের খাবার উপার্জন করতে পারেনি
তাদের কারো জন্যে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের এই ছাত্রছাত্রীদের কোনো মায়া নেই।’ এই কল্পবিজ্ঞান লেখক প্রকৃত তথ্য
থেকে যে কত দূরে বসবাস করেন তা উপরোক্ত মন্তব্যে পরিষ্কারভাবে ফুঁটে উঠেছে। আন্দোলনরত
শিক্ষার্থীরা যে অ্যাম্বুলেন্স যাওয়ার জন্য নিজেরাই পথ করে দিয়েছে তা তিনি জানেনই না।
ঢাকা শহরের প্রধান প্রধান সড়কে এমনিতেই রিক্সা চলে না, সেটাও তিনি জানেন না। এ দেশের
শ্রমজীবী গার্মেন্টসকর্মী নারীরা যে রোজ হেঁটে হেঁটে কর্মস্থলে যান, তা তিনি জানেন
না। এ দেশের ভিআইপিদের চলাচলের সময় যে ঘণ্টার পর ঘন্ঠা রাস্তা বন্ধ থাকে, তা তিনি জানেন
না। এ শহরে স্রেফ আনন্দ মিছিলের নামে দু-চারদিন পরপরই সরকারী দলের কর্মীরা যে পুরো
শহরকে জিম্মি করে রাখেন, সেই তথ্যও তিনি জানেন না।
মুহম্মদ জাফর ইকবাল এসব তথ্য না জানলেও আমাদের তরুণরা বিলকুল জানেন।
আবার আমাদের তরুণরা যে এসব জানেন, সেটা আবার মুহম্মদ জাফর ইকবাল তথা বুদ্ধিজীবীকূল
জানেন না। এ এক মজার প্যারাডক্স। এ এক অদ্ভূত রোগ। এর নাম ইনফরমেশন গ্যাপ। এর নাম থিংকিং
গ্যাপ।
সময় এসেছে এই গ্যাপ পূরণের। সময় এসেছে দূরত্ব ঘোচানোর। আমাদের রাজনৈতিক
নেতারা আগে যেমন জনগণকে বোকা ভেবে যা খুশি তাই বক্তব্য দিতেন, এখনও ঠিক সেভাবেই দিয়ে
যাচ্ছেন। আমাদের টকশোজীবীরাও টেলিভিশনের পর্দায় ক্রমাগ্রত ভুলভাল তথ্য দিয়ে যাচ্ছেন।
আমাদের শ্রদ্ধেয় বুদ্ধিজীবীরা নিজেদের মনের মতো করে তথ্য বাছাই করে সুন্দর সুখপাঠ্য
প্রবন্ধ নিবন্ধ লিখে যাচ্ছেন। তারা সবাই ভুলে যাচ্ছেন, দেশে এখন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর
সংখ্যা আট কোটির ওপর। দেশে এখন সাক্ষরতার হার ৭২.৩ শতাংশ। এই বিরাট জনগোষ্ঠীর হাতে
হাতে এখন তথ্য জানার হাজারো উৎস ঘুরে বেড়ায়। সুতরাং মানুষকে বোকা ভাবার দিন শেষ। অবাধ
তথ্যপ্রবাহের এই যুগে সবাই এখন তথ্যসমৃদ্ধ। এই সময়ের ক্লাস ফাইভ পড়ুয়া একজন শিশুও জানে
যে ফেসবুকের উদ্ভাবক কে। সুতরাং তার সামনে যখন আমাদের রাজনৈতিক নেতারা বলেন ‘আজকে ইন্টারনেট, ফেসবুক, ইউটিউব,
যা কিছুই ব্যবহৃত হচ্ছে, সেগুলো তো আমাদেরই করা’ তখন তারা হাসতে হাসতে মাটিতে গড়াগড়ি খায়।
অতএব, সময় থাকতে নিজেদেরকে আপডেট করুন হে রাজনীতিবিদ-বুদ্ধিজীবী-টকশোজীবী
সম্প্রদায়। তথ্যের দূরত্ব ঘোচান। চিন্তার দূরত্ব দূর করুন। এই সময়ের জনগণের পালস বোঝার
চেষ্টা করুন। তারা আপনাদের চেয়ে অনেক বেশি তথ্য পকেটে নিয়ে ঘুরে বেড়ায়—এই সত্যটুকু স্বীকার করুন। গৎবাধা
বক্তব্য দেয়ার আগে একশ বার ভাবুন, কাকে কোন তথ্য গেলাতে চাইছেন।
তথ্যঋণ:
প্রথম আলো : https://bit.ly/2HgCmgd, https://bit.ly/2DPFp9s
কালের কণ্ঠ : https://bit.ly/2H1q9sJ, https://bit.ly/2ISzjbp
ডয়চে ভেলে : https://bit.ly/2JMtZrt
ইত্তেফাক : https://bit.ly/2viZRAI
আলোকিত বাংলাদেশ : https://bit.ly/2qz8p0v

0 Comments
Post a Comment